১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | সোমবার | বর্ষাকাল | বিকাল ৩:৩৭
সংবাদ শিরোনামঃ
ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির সদস্যদের জন্য সিমেক হেলথে অর্ধেক ছাড় ভেড়ামারা শহরের যানজট নিরসনে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি আব্দুল গফুরের উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি / নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম/ পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছিনতাইয়ের শিকার ডিম ব্যবসায়ীকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা প্রদান । রাজপথের লড়াকু সৈনিক মানবতার সেবক ভেড়ামারার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এসএস. আল হুসাইন সোহাগ কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে হিমেল সীমান্ত ও ঈগল এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক কুষ্টিয়া কৃষ্টির ষষ্ঠ সংখ্যা মোড়ক উন্মোচন/ কৃতি সাঁতারুদের নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যোগ! ভেড়ামারায় অসহায়, দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার দিল শিশু তাহমিদ ফাউন্ডেশন
ইডেন লাইফে শাকেরার এক্সপেরিয়েন্স, কি সেই হৃদয়বিদারক কাহিনী?

ইডেন লাইফে শাকেরার এক্সপেরিয়েন্স, কি সেই হৃদয়বিদারক কাহিনী?

আলোচনা-সমালোচনা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না ইডেন কলেজ ছাত্রলীগকে। সিট বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, ছাত্রীদের দিয়ে নেত্রীদের নোংরা খেলার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।এসবের ব্যাখ্যায় যাওয়ার আগে ইডেন কলেজের সাবেক ছাত্রী শাকেরা আরজুর ‘ইডেন লাইফ কষ্টের’ শিরোনামে লেখাটি চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক। শাকেরার লেখা এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল। শাকেরা তার অভিজ্ঞতায় লিখেছেন-‘ইডেন নিয়ে মুখ খুললে শেষ হবে না। কিসের লেখাপড়া? সতীত্ব নিয়ে বেঁচে থাকাই দায়। শুধু ইডেন নয়; মেয়েরা এখন কোনো ভার্সিটিতেই নিরাপদ নয়। সুন্দরী হলে তো বর্গা ফ্রি। হল তো হল নয়; যেন…। জীবনে বহু বান্ধবীর কাছ থেকে শুনেছি তাদের সতীত্ব হারানোর হৃদয়বিদারক কাহিনী। অনেক মেয়ে ওপেন মুখ না খুললেও, বান্ধবীদের কাছে বলে। শাকেরা নিজের কথা বর্ণনা করেছেন এভাবে-আমার ইডেন লাইফ কেটে গেছে। প্রতিদিন দু’রাকাত নামাজ পড়ে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করতাম যেন, শকুনদের চোখে না পড়ি। আল্লাহ পাক দোয়া কবুল করেছেন। আমাদের মেস মেম্বাররা সবাই ছিলাম নামাজি। ইডেন লাইফের এক্সপেরিয়েন্স আছে অনেক। অনেক সময় দেখতাম, চোখের সামনেই এক বান্ধবীকে ডেকে নিয়ে গেছে, একটু কান দিলে শুনতাম তার কষ্টের গোঙানির শব্দ। পাশের মেসে ঢুকতেই দেখিছি বহু কিছু। কিছুই করার নেই, ছিল না। নিজেকে সেইফ রাখতে পারাই যে বড়ো বিষয়। পাশের রুমের এক বোন গেছে তিন দিন আগে। কয়েকজন ‘পৌরুষ ষাঁড়’ নিজেদের কাম বাসনা পূরণ করে ছেড়ে দিয়েছে। অগত্যা হলে এসে কাঁদলো। শুনলাম, সান্ত্বনা দিলাম, যাওয়ার আগেই তো ভাবতে পারতে। এইগুলা তো রুটিন হিসেবে চলে। অনেক মেয়ে ভিভিআইপি হোস্টেলে নম্বর দিয়ে আসে।
ইডেনের ছাত্রীদের টেস্ট করলে অনেক মেয়ের ব্লাডে জীবাণু পাওয়া যাবে। হলগুলোতে সতীত্ব ঠিক রেখে থাকা কষ্টের। ইডেন নয়; বান্ধবীরা যারা অন্যান্য কলেজ-ভার্সিটিতে পড়ে খবর নিয়েছি, ফিজিক্যালি যন্ত্রণা আছেই। ভোগের রাজ্যে সবাই পাহারাদার। সবই চলে নিয়মিত, বাড়িতে যায় ভদ্র সেজে। এভারেজ ছেলেরা দায়ী নয়; কিছু মেয়েও আছে দুশ্চরিত্রের। ওরা যত পুরুষাঙ্গ দেখেছে, জীবনে এত কাঁচা মরিচও দেখে নাই। অনেক মেয়ে নিজ থেকেই ছেলে পটায়, নাইট কাটে নিজ খরচে। আজিমপুর, বকশীবাজারে মেস নেয় কয়েকজন মিলে। এই তো মেস নয়; সেক্স পাওয়ার কম্পিটিশন হাউস। এই মেসেই কুমারিত্ব শেষ। সব হারিয়ে বাড়িতে যায়। আর বউ হয়ে ঢাকায় ফিরে।’ শাকেরার এ লেখা পড়ে চমকে উঠতে হয়। তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায় ন। কিন্তু গত ক’দিন ধরে ইডেন কলেজে যা হচ্ছে শাকেরার কথার প্রতিধ্বনিই শোনা যাচ্ছে ছাত্রলীগ নেত্রীদের মুখে। আর এসব কারণে কিছুদিন পরপরই সংবাদ শিরোনাম হয় কলেজটি। ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ নেত্রীদের নিয়ে বর্তমান সময়ে কথাবার্তা আর দু’গ্রুপের চুলোচুলি দেশজুড়ে এখন আলোচনায়। এখানে চলে অবাধে সিট বাণিজ্য। চলে নানা অনিয়ম। ছাত্রীদের ডেকে নিয়ে অশ্লীল ছবি তোলার অভিযোগও উঠেছে এ সময়ে। নেত্রীদের কথায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের রাত বিরাতে অন্দরমহলে যেতে হয়।

না গেলে তার ওপর চলে নির্যাতনের খড়গ। সমপ্রতি ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষের পর এক নেত্রী অভিযোগ করেছেন, হলে থাকা টার্গেটকৃত ছাত্রীদের নির্ধারিত ব্যক্তির সঙ্গে জোরপূর্বক যৌনতায় লিপ্ত হতে বাধ্য করছেন ছাত্রলীগের কিছু নেত্রী। এ ধরনের কাজে রাজি না হলে ওই ছাত্রীদের ওপর নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ। সঙ্গে অর্থও আদায় করা হয়। ছাত্রলীগের ওই নেত্রী আরও অভিযোগ করেছেন, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কক্ষে ডেকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি তুলে রাখতেন নেত্রীরা। পরে এসব ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে নির্ধারিত ব্যক্তিদের সঙ্গে একান্তে দেখা করতে পাঠাতেন। এর সঙ্গে নানা ধরনের ভয়ভীতিও দেখানো হতো এবং ওই নেত্রীরা রীতিমতো ব্যবসা শুরু করে দিয়েছিলেন বলে তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এ ধরনের অভিযোগ ভয় এবং শঙ্কার। এই অভিযোগ ইডেনের কুৎসিত চেহারা সামনে এনেছে। শাকেরাও তার লেখায় এর বর্ণনা দিয়েছেন। অভিযোগটি লজ্জার। প্রশ্ন জাগে আমরা কোথায় যাচ্ছি? নৈতিক অধঃপতনের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছি না তো? ইডেনের মতো দেশের স্বনামধন্য কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এমন অভিযোগ পিলে চমকে যাওয়ার মতো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের পাঠান শিক্ষা অর্জন করতে।

কিন্তু সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি হয় অধঃপতনের মাধ্যম তাহলে আর থাকেটা কি? দুর্ভাগ্য হলো ছাত্রলীগের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন এ ধরনের কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে যাচ্ছে। দিনের পর দিন একটি কলেজে এমন ঘটনা ঘটছে। কলেজের অধ্যক্ষ, হল সুপারসহ দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাজ কি? তাদের কি কারও কাছে জবাবদিহিতা নেই। শিক্ষাগুরু হিসেবে তারা কি তাদের সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে পারছেন না। কেন তারা এসব বেহায়াপনাকে প্রশ্রয় দিলেন? এসব কি শুধু ইডেনেই হচ্ছে? এই তো কিছুদিন আগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে নির্যাতিত হয়েছিলেন এক ছাত্রী। ওই ছাত্রী বন্ধুকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানে বেড়াতে গিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীদের নির্যাতনের মুখে পড়েন। তাকে মারধর ও বিবস্ত্র করে ছবি তোলে ছাত্রলীগ কর্মীরা। সঙ্গে থাকা বন্ধুটিকেও মারধর করে বেঁধে রাখা হয়। সে ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মামলাও হয়েছে। দুই বছর আগে সিলেটের এমসি কলেজের ঘটনা তো সারা দেশকে নাড়া দিয়েছে। ইডেনের নানা ঘটনা এখন প্রকাশ্যে আসার কারণ ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে রেষারেষি। অত্যাচারিত হয়ে একটি গ্রুপ ফুঁসে উঠে। দু’টি গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এ নিয়ে মারধর, হামলা, সংঘর্ষ, হোস্টেল থেকে বের করে দেয়ার ঘটনাও ঘটে।একপক্ষ ছাত্রলীগের সভাপতি-সেক্রেটারিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। ঘটনা তদন্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ছাত্রলীগ। কিন্তু তদন্তে নামার আগেই ১২ জনকে ছাত্রলীগ থেকে আজীবনের জন্য বহিস্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়ার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সিট বাণিজ্যে ও নানা অশোভন কাজের সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস গণমাধ্যমে কথা বলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। গণমাধ্যমে কথা বলার সময় জান্নাতুল ফেরদৌস ও তার সঙ্গীদের ওপর পেছন থেকে রীভা এবং রাজিয়ার অনুসারীরা হামলা চালায়। এ ঘটনার পর কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ছাত্রলীগের একাংশ। এ দু’জনের বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। প্রশ্ন হলো কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কোন যুক্তিতে তদন্তের আগেই ১২ ছাত্রলীগ নেত্রীকে বহিষ্কার করলেন? এর কোনো উত্তর হয় না। শাক দিয়ে হয়তো নেতারা মাছ ঢাকতে পারবেন। একসময় ছাত্র নেতাদের দেখলে সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধায় মাথানত করতেন।

ছাত্র নেতারা ছিলেন অনেকের আদর্শ। আজ আমরা কি দেখছি? কি শুনছি? এতে করে ছাত্ররাজনীতির ওপর মানুষের আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে। ছাত্ররাজনীতির গতিপথ বদলে গেছে। এখন সরকারদলীয় ছাত্র নেতাকর্মীরা উন্মুখ হয়ে থাকেন বিরোধী ছাত্র সংগঠনকে শায়েস্তা করতে। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দু’দফা পেটানোর দৃশ্য দেশবাসী দেখেছে। মঙ্গলবারও ছাত্রদলের নতুন কমিটির নেতারা অনুমতি নিয়ে ভিসিকে ফুল দিতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। বেধড়ক পিটুনি দেয়। যদিও ছাত্রলীগ বলছে, এটা তাদের কাজ নয়। ছাত্রদলের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের ফল এটি। এই যখন ছাত্ররাজনীতির অবস্থা তখনই সুর উঠে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র রাজনীতির দ্বার খোলার। কিন্তু এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ওই সব প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা-পরিচালকরা। একই সঙ্গে ওই সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও সেখানে ছাত্ররাজনীতি ঢুকতে না দেয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে। ছাত্ররাজনীতির কুফলের কারণেই এই অনীহা।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় যে পার্থক্য, তা হলো ছাত্র ও শিক্ষকদের দলীয় রাজনীতি। দলীয় লেজুড়বৃত্তির কারণে ছাত্র রাজনীতিতে সহিংসতা এখন নিত্যসঙ্গী। ছাত্ররাজনীতির কারণেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে টর্চারশেলের খবর আসে। কথায় কথায় ছাত্রদের ওপর নির্যাতনের খড়গ নামে। গেস্টরুম, র‌্যাগিং, ভর্তি ও সিট বাণিজ্য কোনোটিই বন্ধ হয় নি, বরং বেড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় যারা চালান, তারা হয় নির্বিকার, নয়তো ক্ষমতাসীন দলের কাছে আত্মসমর্পণ করে বসে আছেন। এসব ঘটনার একটিতেও দায়িত্বশীলরা কোনো ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে শোনা যায়নি। উপরন্তু দু’-একটি ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের কথায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের প্রাধ্যক্ষ, প্রক্টরিয়াল কাজে নিয়োজিত শিক্ষক কোনো প্রকার তদন্ত ছাড়াই নিরীহ শিক্ষার্থীকে পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছেন এমন ঘটনাও ঘটেছে। এমন করলে একপক্ষ আশকারা পাবে। নির্যাতিত পক্ষ দিন দিন ঝিমিয়ে পড়বে। প্রশাসনের প্রতি তাদের ক্ষোভ বাড়তে থাকবে। তাই সকল অভিযোগই গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন। ইডেনের ঘটনায়ও তদন্ত করা দরকার। এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করা জরুরি। পাশাপাশি ছাত্ররাজনীতির ধারায় আমূল পরিবর্তন কীভাবে আনা যায়, সেদিকে সবার নজর দেয়া প্রয়োজন। এমনটা হলে ছাত্ররাজনীতি ফের আশার আলো দেখাতে পারে দেশবাসীকে।
লেখক, নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক মানবজমিন।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024